জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় জাকসু নির্বাচনে ভোটগ্রহণ শুরু।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জাকসু) নির্বাচনে এবার মোট বুথ রাখা হয়েছে ২২৪টি, যেখানে দায়িত্ব পালন করছেন ১৩৪ জন কর্মকর্তা (পোলিং অফিসার ও সহকারী মিলিয়ে)। বিশ্ববিদ্যালয়ের ২১ আবাসিক হলের প্রতিটিতে ভোটকেন্দ্র রয়েছে—এর মধ্যে ছাত্রদের জন্য ১১টি ও ছাত্রীদের জন্য ১০টি কেন্দ্র নির্ধারিত হয়েছে।
ছাত্রদের হলে আল বেরুনী হলে ভোটার ২১০ জন, আ ফ ম কামালউদ্দিন হলে ৩৩৩ জন, মীর মশাররফ হোসেন হলে ৪৬৪ জন, শহীদ সালাম-বরকত হলে ২৯৮ জন, মওলানা ভাসানী হলে ৫১৪ জন, ১০ নম্বর ছাত্র হলে ৫২২ জন, শহীদ রফিক-জব্বার হলে ৬৫০ জন, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হলে ৩৫০ জন, ২১ নম্বর হলে ৭৩৫ জন, নজরুল হলে ৯৯২ জন এবং তাজউদ্দীন আহমদ হলে ৯৪৭ জন ভোটার রয়েছেন।
অন্যদিকে, ছাত্রীদের হলে নওয়াব ফয়জুন্নেসায় ২৭৯ জন, জাহানারা ইমামে ৩৬৭ জন, প্রীতিলতায় ৩৯৬ জন, বেগম খালেদা জিয়ায় ৪০৩ জন, সুফিয়া কামালে ৪৫৬ জন, ১৩ নম্বর হলে ৫১৯ জন, ১৫ নম্বর হলে ৫৭১ জন, রোকেয়া হলে ৯৫৬ জন, ফজিলাতুন্নেছায় ৭৯৮ জন এবং তারামন বিবি হলে ৯৮৩ জন ভোটার আছেন।
ভিপি পদে এবার প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ১০ জন প্রার্থী, যদিও অমর্ত্য রায়ের প্রার্থিতা নিয়ে রয়েছে জটিলতা। জিএস পদে লড়ছেন ৯ জন প্রার্থী; তবে প্রচারণার শেষদিনে সৈয়দা অনন্যা ফারিয়া তার প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নেন। এজিএস পদে পুরুষ প্রার্থী ১০ জন এবং নারী প্রার্থী ৬ জন। বাকি ২১টি পদেও একাধিক প্রার্থী রয়েছেন।
আজ বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টায় ভোট শুরু হওয়ার কথা থাকলেও কিছুটা বিলম্বে শুরু হয় ভোটগ্রহণ, যা চলবে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। ভোটগ্রহণ শেষে বিকালে গণনা শুরু হবে সিনেট হলে।
প্রার্থীদের পোলিং এজেন্টরা দায়িত্ব বুঝে নেয়ার পর ভোটের অন্যান্য সরঞ্জাম যেমন ব্যালট বাক্স, ব্যালট পেপার সকালেই কেন্দ্রগুলোতে পৌঁছে দেয়া হয়। সার্বিক নিরাপত্তায়ও নেওয়া হয়েছে বিশেষ ব্যবস্থা।
এবারের নির্বাচনে মোট ভোটার সংখ্যা ১১,৮৪৩ জন। কেন্দ্রীয় সংসদের ২৫ পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ১৭৭ জন প্রার্থী। অংশ নিচ্ছে সর্বমোট আটটি প্যানেল—বামপন্থি, শিবির, ছাত্রদল, স্বতন্ত্র প্রার্থী ও অন্যদের সমর্থনে।

মতামত দিন