স্বতন্ত্র প্রার্থী জুলাই আন্দোলনের আলোচিত মুখ তন্বি নির্বাচনে বিপুল ভোটে বিজয়ী।
বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টার পর সিনেট ভবনে আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল ঘোষণা করেন সংশ্লিষ্টরা।
এবারের নির্বাচনে ভিপি পদে জয়ী হয়েছেন ছাত্রশিবির সমর্থিত মো. আবু সাদিক (সাদিক কায়েম), জিএস পদে এস এম ফরহাদ এবং এজিএস পদে মহিউদ্দীন খান।
ঘোষিত ফলাফলে দেখা গেছে, ভিপি পদে সাদিক কায়েম পেয়েছেন সর্বমোট ১৪ হাজার ৪২ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছাত্রদল সমর্থিত মো. আবিদুল ইসলাম খান পেয়েছেন ৫ হাজার ৭০৮ ভোট।স্বতন্ত্র প্রার্থী উমামা ফাতেমা ৩ হাজার ৩৮৯ ভোট এবং শামীম হোসেন ৩ হাজার ৬৮১ ভোট পেয়েছেন।
জিএস পদে এস এম ফরহাদ পেয়েছেন ১০ হাজার ৭৯৪ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী তানভীর বারী হামীম ৫ হাজার ২৮৩ ভোট এবং মেঘমল্লার বসু ৪ হাজার ৯৪৯ ভোট পেয়েছেন। বৈষম্যবিরোধী শিক্ষার্থী সংসদ প্যানেলের আবু বাকের মজুমদার পেয়েছেন ২ হাজার ১৩১ ভোট।
এজিএস পদে মহিউদ্দীন খান ১১ হাজার ৭৭২ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী তানভীর আল হাদী মায়েদ পেয়েছেন ৫ হাজার ৬৪ ভোট।
নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পরই আবিদুল ইসলাম খান এবং উমামা ফাতেমা ফলাফল প্রত্যাখ্যান করেছেন। এছাড়া আব্দুল কাদেরও নির্বাচনের ব্যাপক সমালোচনা করে কারচুপির অভিযোগ তুলেছেন।
ফলাফল ঘোষণা শুরু হয় মঙ্গলবার দিবাগত রাত ২টার দিকে। জগন্নাথ হল ব্যতীত সবগুলো হলে সাদিক কায়েম বড় ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন। জগন্নাথ হলে তিনি পেয়েছেন মাত্র ১০ ভোট, আর আবিদুল ইসলাম খান পেয়েছেন ১ হাজার ২৭৬ ভোট।
নির্বাচনে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের আটটি কেন্দ্রে মোট ৮১০টি বুথে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। মোট ভোটার সংখ্যা ছিল ৩৯ হাজার ৮৭৪ জন, যার মধ্যে ছাত্র ভোটার ২০ হাজার ৯১৫ জন এবং ছাত্রী ভোটার ১৮ হাজার ৯৫৯ জন।
ডাকসুতে ২৮টি পদের জন্য মোট ৪৭১ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। হল সংসদে ১৩টি করে ১৮টি হল মিলিয়ে মোট ২৩৪টি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন ১ হাজার ৩৫ জন প্রার্থী। অর্থাৎ সব মিলিয়ে এবার শিক্ষার্থীদের ৪১টি ভোট দিতে হয়েছে।
মতামত দিন