জাতীয়
ছবি: সংগৃহীত

প্রিপেইড মিটারের ডিমান্ড চার্জ ও মিটার ভাড়া নিয়ে যা বলছে বিদ্যুৎ বিভাগ।

নিজেস্ব প্রতিবেদক:

বিদ্যুৎ বিভাগ জানিয়েছে, প্রিপেইড মিটারের ক্ষেত্রে প্রত্যেক মাসের প্রথম রিচার্জে ডিমান্ড চার্জ ও মিটার ভাড়া কর্তন করা হয়। যদি কোনো মাসে রিচার্জ না করা হয়, তবে পরবর্তী মাসের প্রথম রিচার্জে তা সমন্বয় করা হয়।

প্রধান তথ্যসমূহ:

  • রিচার্জ ও ব্যবহার সমান: প্রিপেইড ও পোস্টপেইড মিটারের ক্ষেত্রে বিদ্যুৎ ব্যবহার ও খরচ সমান।

  • রিবেট সুবিধা: প্রিপেইড মিটার ব্যবহারকারীরা সরকারের প্রণোদনা হিসেবে রিচার্জ করা এনার্জির ০.৫% ছাড় পান।

  • ডিমান্ড চার্জ ও মিটার ভাড়া:

    • আবাসিক গ্রাহক: প্রতি কিলোওয়াট ডিমান্ড চার্জ মাসিক ৪২ টাকা, ভ্যাট ৫%।

    • বিতরণ প্রতিষ্ঠানের মিটার: সিঙ্গেল ফেজ ৪০ টাকা, থ্রি ফেজ ২৫০ টাকা।

    • গ্রাহক সরবরাহকৃত মিটারে ভাড়া প্রযোজ্য নয়।

  • নিরাপত্তা জামানত: প্রিপেইড মিটারের ক্ষেত্রে প্রয়োজন নেই।

  • রিচার্জের সহজলভ্যতা: অনলাইন পেমেন্ট (বিকাশ, নগদ, জিপি, রবি, উপায়, ডেবিট/ক্রেডিট কার্ড), সংস্থার ভেন্ডিং স্টেশন, পস এজেন্ট বা ব্যাংক বুথ থেকে করা যায়।

  • অ্যালার্ম ও নোটিফিকেশন: মিটারের ব্যালেন্স কমলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে নোটিফিকেশন বা অ্যালার্ম পাওয়া যায়।

  • ইমার্জেন্সি ক্রেডিট সুবিধা: বিকেল ৪টা থেকে পরদিন সকাল ১০টা পর্যন্ত, সাপ্তাহিক ছুটির দিন ও জরুরি পরিস্থিতিতে গ্রাহক ব্যবহার করতে পারেন।

  • ব্যালেন্স সংরক্ষণ:

    • অবশিষ্ট এনার্জি ব্যালেন্স থেকে পরবর্তী মাসে ব্যবহৃত এনার্জি খরচ কেটে নেওয়া হয়।

    • ডিমান্ড চার্জ ও মিটার ভাড়া কেটে নেওয়া হয় শুধুমাত্র প্রথম রিচার্জে

    • মাসে রিচার্জ না করলে পরবর্তী রিচার্জে পূর্বের সব বকেয়া চার্জ এবং মিটার ভাড়া কাটা হয়।

এই নিয়মের মাধ্যমে প্রিপেইড মিটার ব্যবহারকারীরা সহজে, স্বয়ংক্রিয়ভাবে এবং ঝামেলা ছাড়া তাদের বিদ্যুৎ ব্যালেন্স নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন।

মতামত দিন