আন্তর্জাতিক
ছবি: সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যের তিনটি মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা।

নিজেস্ব প্রতিবেদক:

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার মধ্যে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) তিনটি মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার দাবি করেছে। এ খবর প্রকাশ করেছে ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা ফার্স নিউজ এজেন্সি।

আইআরজিসি বলেছে, ইরাকের এরবিলের আল-হারির বিমানঘাঁটিতে মার্কিন সেনাদের সমাবেশকেন্দ্রকে লক্ষ্য করে আঘাত হানা হয়েছে। একই সঙ্গে কুয়েতের আলি আল সালেম এবং আরিফজান ঘাঁটিতেও ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে।

আইআরজিসির বরাত অনুযায়ী, এই অভিযান ‘অপারেশন ট্রু প্রমিস–৪’-এর ৫২তম ধাপের অংশ এবং ইরানের শিল্পাঞ্চলে নিহত শ্রমিকদের হত্যার প্রতিশোধ নেওয়াই মূল উদ্দেশ্য।

এছাড়া আইআরজিসি ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ওপরও হুমকি দিয়েছে। তারা জানিয়েছে, “যদি তিনি এখনো জীবিত থাকেন, তাকে খুঁজে বের করে সর্বশক্তি দিয়ে হত্যা করার চেষ্টা চালানো হবে।”

নেতানিয়াহুর কার্যালয় এই দাবিকে খারিজ করেছে। তুরস্কের সংবাদ সংস্থা আনাদোলুর বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো নেতানিয়াহুর নিহত হওয়ার খবর ভুয়া এবং তিনি নিরাপদে আছেন।

সাম্প্রতিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইসরাইলের মধ্যাঞ্চলীয় হলোন শহরে দুজন সামান্য আহত হয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হয়, যখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল যৌথভাবে ইরানের ওপর হামলা চালায়। ওই আঘাতে ইরানে অন্তত ১,৩০০ জন নিহত হন, যার মধ্যে ছিলেন দেশটির তৎকালীন শীর্ষ নেতা আলি খামেনি।

এরপর থেকে ইরান ইসরাইল, জর্ডান, ইরাক ও উপসাগরীয় অঞ্চলের মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য করে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাচ্ছে। হামলাগুলোতে হতাহতের পাশাপাশি অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে, যা বৈশ্বিক তেল বাজার এবং বিমান চলাচলকেও প্রভাবিত করছে।

সূত্র: টিআরটি ওয়ার্ল্ড

মতামত দিন