১৯ দেশের নাগরিকদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন পুরোপুরি বন্ধ ঘোষণা।
যুক্তরাষ্ট্র আবারও কঠোর অভিবাসন নীতির দিকে ঝুঁকেছে। দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মঙ্গলবার ঘোষণা করেছেন, নির্দিষ্ট ১৯টি দেশের মানুষ আর মার্কিন ভিসা, স্থায়ী বাসিন্দার মর্যাদা কিংবা নাগরিকত্ব—কোনো কিছুই আবেদন করতে পারবেন না।
হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা ও অভ্যন্তরীণ স্থিতি রক্ষার স্বার্থেই এই নতুন নিষেধাজ্ঞা প্রয়োগ করা হয়েছে। কয়েক মাস আগে দেওয়া আংশিক ভ্রমণ–নিষেধাজ্ঞাকে এবার স্থায়ী রূপ দেয়া হলো।
ঘোষণার পেছনে সাম্প্রতিক একটি সহিংস ঘটনা বড় ভূমিকা রেখেছে। ওয়াশিংটন ডিসিতে ন্যাশনাল গার্ডের দুই সদস্যের ওপর গুলিবর্ষণের ঘটনার পর থেকেই প্রশাসন আরও কঠোর অবস্থান নেয়। বিদেশি এক শরণার্থীর হাতে একজন সেনা সদস্য নিহত হওয়া ও আরেকজনের গুরুতর আহত হওয়ার পর ট্রাম্প সরকার দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয় বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা দেশগুলো হলো—
আফগানিস্তান, মিয়ানমার, চাদ, কঙ্গো প্রজাতন্ত্র, গিনি, ইরিত্রিয়া, হাইতি, ইরান, লিবিয়া, সোমালিয়া, সুদান, ইয়েমেন, বুরুন্ডি, কিউবা, লাওস, সিয়েরা লিওন, টোগো, তুর্কমেনিস্তান ও ভেনেজুয়েলা।
ঘোষণার পর প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তাঁর মন্ত্রিসভার বৈঠকেও কঠোর মন্তব্য করেন। বিশেষত সোমালি বংশোদ্ভূত অভিবাসীদের বিষয়ে তিনি নেতিবাচক মন্তব্য করেন এবং কংগ্রেস সদস্য ইলহান ওমরকে নিয়েও তীব্র সমালোচনা করেন।
যুক্তরাষ্ট্রের নতুন সিদ্ধান্তে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। তাদের মতে, এমন নিষেধাজ্ঞা মানবিক সংকট আরও গভীর করতে পারে।
মতামত দিন