গাজা থেকে ফিলিস্তিনিদের উচ্ছেদ পরিকল্পনায় ক্ষুব্ধ কাতার- মিসর।
শুক্রবার দেওয়া এক বিবৃতিতে মিসরের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ফিলিস্তিনিদের বাস্তুচ্যুত করার চিন্তা সরাসরি আন্তর্জাতিক মানবিক আইন লঙ্ঘন এবং যুদ্ধাপরাধের সমান। তারা স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে—মিসর কখনোই এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়াবে না এবং কোনো অবস্থাতেই গাজার জনগণের উচ্ছেদের পথ তৈরি করবে না। মন্ত্রণালয় আরও বলেছে, নেতানিয়াহুর এ বক্তব্য অঞ্চলকে দীর্ঘমেয়াদে অস্থিতিশীল করার প্রচেষ্টা মাত্র।
এর আগে একটি ইসরায়েলি টেলিগ্রাম চ্যানেলে সাক্ষাৎকারে নেতানিয়াহু দাবি করেন, গাজা পুনর্গঠনের জন্য একাধিক পরিকল্পনা রয়েছে। তার কথায়, গাজার প্রায় অর্ধেক মানুষ অঞ্চল ছেড়ে যেতে চায়। তবে তিনি এটিকে “গণ বহিষ্কার” বলে মানতে নারাজ। নেতানিয়াহু আরও বলেন, “আমরা চাইলে রাফাহ সীমান্ত খুলে দিতে পারি, কিন্তু মিসর সঙ্গে সঙ্গেই তা বন্ধ করে দেবে।”
কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও নেতানিয়াহুর এই অবস্থানকে ‘অত্যন্ত বিপজ্জনক’ আখ্যায়িত করেছে। তারা এক বিবৃতিতে বলেছে, দখলদার বাহিনী ফিলিস্তিনিদের ওপর যে সম্মিলিত শাস্তির নীতি চালাচ্ছে তা মানবাধিকারের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। কাতার সতর্ক করেছে, ফিলিস্তিনি জনগণকে তাদের ভূমি থেকে উচ্ছেদ কিংবা বৈধ অধিকার থেকে বঞ্চিত করার চেষ্টা কখনোই সফল হবে না।
দুই দেশই আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে, ইসরায়েলের উসকানিমূলক নীতি ও দখলদারিত্ব রুখে দাঁড়াতে বিশ্বকে এখনই ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।
মতামত দিন