আন্তর্জাতিক
ছবি: সংগৃহীত

ইউক্রেনে রাশিয়ার ৮৫টি ড্রোন হামলা, আলাস্কায় ট্রাম্প-পুতিন বৈঠকে সমঝোতা হয়নি।

নিজেস্ব প্রতিবেদক:

ইউক্রেনের বিভিন্ন অঞ্চলে টানা আক্রমণ চালিয়েছে রাশিয়া। দেশটির বিমানবাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার রাতভর ইউক্রেনের ভূখণ্ড লক্ষ্য করে ৮৫টি আক্রমণাত্মক ড্রোন ও একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে মস্কো।

এসব হামলার মধ্যে সুমি, ডোনেটস্ক, চেরনিহিভ ও ডিনিপ্রোপেট্রোভস্কের সম্মুখভাগ সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তবে ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা বাহিনী জানায়, তাদের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ৬১টি ড্রোন ভূপাতিত করতে সক্ষম হয়েছে।

সশস্ত্র বাহিনীর জেনারেল স্টাফ দৈনিক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় অন্তত ১৩৯ দফা সংঘর্ষ  হয়েছে সম্মুখসারিতে।

অন্যদিকে রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় দাবি করেছে, ইউক্রেনের পাল্টা হামলায় ব্যবহৃত ২৯টি ড্রোন রাতারাতি ধ্বংস করেছে তাদের প্রতিরক্ষা বাহিনী। এর মধ্যে ১০টি রোস্তভ অঞ্চলে আটকানো হয়। তারা জানায়, সীমান্তবর্তী অঞ্চলে বহিঃআক্রমণ ঠেকাতে রাশিয়ার সেনারা সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে।

এমন সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের আলাস্কায় মুখোমুখি হয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। তবে বহুল আলোচিত এ বৈঠক থেকে কোনো যুদ্ধবিরতি বা শান্তিচুক্তি হয়নি।

বৈঠক শেষে ট্রাম্প বলেন, কিছু বিষয়ে অগ্রগতি হলেও ইউক্রেন নিয়ে চূড়ান্ত সমঝোতা হয়নি। পুতিনও ইঙ্গিত দিয়েছেন, পরবর্তী বৈঠক মস্কোয় হতে পারে, তবে সময় বা কোনো সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব দেননি।

বিশ্লেষকদের মতে, আলাস্কা বৈঠকে কোনো চুক্তি না হওয়ায় কিয়েভ ও ইউরোপীয় অংশীদাররা আপাতত কিছুটা স্বস্তি পেয়েছে। তবে একইসঙ্গে মস্কোর সঙ্গে ওয়াশিংটনের দূরত্ব আরও প্রকট হয়েছে। পুতিন আলোচনায় আবারও যুদ্ধ শুরুর পেছনের কারণ, ন্যাটোর ভূমিকা এবং রুশভাষী জনগণের সুরক্ষা নিয়ে তার অবস্থান তুলে ধরেন। তিনি স্পষ্ট করেন, ক্রিমিয়া কিংবা দখলকৃত অন্য অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ ছাড়ার  কোনো পরিকল্পনা তার নেই।

মতামত দিন