আন্তর্জাতিক
ছবি: সংগৃহীত

গাজা পুরোপুরি দখলের পথে ইসরায়েল, নেতানিয়াহুর পরিকল্পনায় ট্রাম্পের নীরব সমর্থন।

নিজেস্ব প্রতিবেদক:

গাজা উপত্যকার সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নিতে সামরিক অভিযান আরও বিস্তৃত করতে যাচ্ছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। এমন কৌশলগত পরিবর্তনের ইঙ্গিত পাওয়া গেছে একাধিক ইসরায়েলি গণমাধ্যমে।

এই পরিকল্পনায় প্রত্যক্ষ সমর্থন না দিলেও, আপত্তি তুলেননি সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প—বলছেন কূটনৈতিক বিশ্লেষকেরা।

মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) ট্রাম্প জানান, গাজার মানুষের খাদ্য সরবরাহের বিষয়টি তার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। তবে ইসরায়েল যদি পুরো গাজা দখলের সিদ্ধান্ত নেয়, সেটা তারা নিজেরাই নিক—এ ব্যাপারে তিনি হস্তক্ষেপ করবেন না।

সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইসরায়েল জানায়, নেতানিয়াহুর ঘনিষ্ঠ এক শীর্ষ কর্মকর্তা বলেছেন, “আমরা গাজা পুরোপুরি দখলের দিকে এগোচ্ছি। যেসব স্থানে জিম্মিরা রয়েছে, সেসব এলাকাতেও অভিযানে ঢুকবে সেনাবাহিনী। সেনাপ্রধান যদি এতে রাজি না হন, তবে তাকে পদত্যাগ করতে হবে।”

ইসরায়েলি চ্যানেল ১২ ও দৈনিক ইয়েদিওথ আহরোনোথ জানায়, গাজার কেন্দ্রীয় শরণার্থী শিবিরসহ ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় নতুন করে অভিযান চালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে আইডিএফ। এত দিন যে এলাকাগুলো তুলনামূলকভাবে এড়ানো হচ্ছিল, এখন সেগুলোও হামলার লক্ষ্যবস্তু হতে পারে।

প্রকাশিত খবরে আরও বলা হয়, ইসরায়েলের নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠানের কিছু অংশ গাজা অভিযানের সম্প্রসারণের বিরোধিতা করলেও নেতানিয়াহু তা উপেক্ষা করছেন। এমনকি একাধিক মন্ত্রী জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী সরাসরি ‘গাজা উপত্যকা দখল’ শব্দ ব্যবহার করেছেন এবং এর মধ্য দিয়েই হামাসকে পরাস্ত করতে চান।

এদিকে ইয়েদিওথ আহরোনোথ সূত্রে দাবি করা হয়েছে, ডোনাল্ড ট্রাম্প নেতানিয়াহুর এই আক্রমণাত্মক অবস্থানকে ‘সবুজ সংকেত’ দিয়েছেন। যদিও এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক বিবৃতি আসেনি, তবু ওয়াশিংটনের এমন নীরব অবস্থান ইসরায়েলকে আরও আগ্রাসী করে তুলছে বলে মত বিশ্লেষকদের।

মতামত দিন