আন্তর্জাতিক
ছবি: সংগৃহীত

ত্রাণের আশায় অপেক্ষারত, সাধারণ মানুষের উপর ইসরায়েলি হামলা নিহত ২৪।

নিজেস্ব প্রতিবেদক:

গাজা উপত্যকায় নতুন করে ভয়াবহ হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী। শনিবার (২ আগস্ট) দুপুর পর্যন্ত এসব হামলায় কমপক্ষে ২৪ জন নিহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে ১৩ জন ছিলেন ত্রাণের আশায় অপেক্ষারত সাধারণ মানুষ।

এ ঘটনায় আহত ও আটকে পড়া ব্যক্তিদের সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।

দফায় দফায় চালানো হামলায় ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনো অনেকে আটকে আছেন। অনেক এলাকায় এখনো উদ্ধারকাজ শুরু করা যায়নি, কারণ ইসরায়েলি ড্রোন ও গোলাবর্ষণের কারণে উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে পারছে না। ফলে নিহতের সংখ্যা বাড়তে পারে বলে সতর্ক করছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।

এমন পটভূমিতে গাজায় চলমান সংঘাত ও মানবিক বিপর্যয়ের জেরে ইসরায়েলের সঙ্গে সব ধরনের অস্ত্র লেনদেনে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে স্লোভেনিয়া। ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে স্লোভেনিয়াই প্রথম দেশ, যারা সরাসরি এ ধরনের পদক্ষেপ নিল।

গত বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই) এক মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ সিদ্ধান্তের অনুমোদন দেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী রবার্ট গোলোব। সরকারের জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়, ইসরায়েলের উদ্দেশ্যে কিংবা ইসরায়েল থেকে সব ধরনের অস্ত্র আমদানি, রপ্তানি এবং পরিবহন নিষিদ্ধ থাকবে।

স্লোভেনিয়ার পক্ষ থেকে আরও বলা হয়,“যখন ইউরোপীয় ইউনিয়নের অভ্যন্তরে ঐকমত্যের অভাবে কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া যাচ্ছে না, তখন আমাদের উচিত স্বাধীনভাবে ন্যায়বিচারের পক্ষে অবস্থান নেওয়া।”

বিবৃতিতে গাজায় মানবিক সহায়তা ইচ্ছাকৃতভাবে বন্ধ রাখার বিষয়টি তুলে ধরে বলা হয়, এমন নীতির ফলেই অসংখ্য মানুষ প্রাণ হারাচ্ছে। এই প্রেক্ষাপটে, বিশ্বের প্রতিটি দায়িত্বশীল রাষ্ট্রের উচিত, নির্যাতিত জনগণের পাশে দাঁড়ানো এবং কঠোর অবস্থান নেওয়া।

স্লোভেনিয়ার সরকারের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের অক্টোবরে হামাস-ইসরায়েল যুদ্ধ শুরুর পর থেকে তারা কোনো ধরনের সামরিক পণ্য ইসরায়েলে রপ্তানির অনুমতি দেয়নি।

মতামত দিন