সৌদিতে থিয়েটার-সিনেমা ও সংগীতে নতুন জোর।
ক্ষমতায় আসার পর ২০২১ সালে সৌদি ভিশন ২০৩০ ঘোষণা দেন বাদশাহ সালমান। লক্ষ্য—তেলনির্ভরতা কমিয়ে বহুমুখী উন্নয়ন নিশ্চিত করা। এই প্রকল্পের অংশ হিসেবে সাংস্কৃতিক খাতে ব্যাপক সংস্কার আনতে উদ্যোগ নিয়েছে দেশটি।
সৌদি গেজেটের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাংস্কৃতিক কার্যক্রম বাড়াতে দেশটির সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়কে একাডেমিক প্রোগ্রাম সম্প্রসারণের নির্দেশ দিয়েছে শূরা কাউন্সিল। সংগীত, অভিনয়, থিয়েটার ও চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্ট শিক্ষা কার্যক্রমকে আরও বিস্তৃত করার পাশাপাশি এসব বিষয়ের উন্নয়নে সংশ্লিষ্ট কমিশনগুলোকে আর্থিক ও প্রশাসনিক স্বায়ত্তশাসনের অধিকার দেওয়ার সুপারিশ করেছে কাউন্সিল।
শুধু তাই নয়, জাতীয় জাদুঘরের প্রদর্শনীগুলো আরও আকর্ষণীয় করতে এবং নতুন প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন নিয়মিতভাবে যুক্ত করতে বলেছে শূরা। এছাড়া বন্ধ হয়ে যাওয়া স্কুল ও স্থানীয় থিয়েটারগুলো পুনরায় চালুরও তাগিদ এসেছে শীর্ষ পর্যায় থেকে।
ধর্মীয় সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের কেন্দ্রস্থল হয়েও সৌদি আরব যে নিজস্ব ভিন্ন বাস্তবতায় প্রবেশ করছে, এই সংস্কারগুলো তারই ইঙ্গিত বহন করে। যদিও একাংশের মতে, ইসলামী অনুশাসনের পটভূমিতে এসব পরিবর্তন বিতর্কও তৈরি করছে সমাজে। তবে সৌদি প্রশাসনের অবস্থান স্পষ্ট—ভবিষ্যতের অর্থনীতি ও সমাজ ব্যবস্থায় সংস্কৃতির বিস্তার একটি অপরিহার্য ধাপ।

মতামত দিন