ইরানের আকাশে ইসরায়েলি এফ-১৫ যুদ্ধবিমানের বিপর্যয়,হঠাৎ করেই জ্বালানি সংকট।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরানের ভেতরে গভীরে প্রবেশ করার সময় একটি এফ-১৫ যুদ্ধবিমানের ট্যাংকে ত্রুটি দেখা দেয়। সঙ্গে কোনো রিফুয়েলিং ট্যাংকার না থাকায় হঠাৎ করেই বড় বিপদের মুখে পড়ে মিশনটি। দ্রুত সিদ্ধান্ত নিয়ে জরুরি ভিত্তিতে একটি রিফুয়েলিং প্লেন পাঠায় ইসরায়েলি বিমানবাহিনী।
রিফুয়েলিং প্লেন না পৌঁছালে যুদ্ধবিমানটি ইরানের আশপাশের কোনো দেশে অবতরণে বাধ্য হতো বলে জানায় ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ। শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই রিফুয়েলিং ট্যাংকার পৌঁছে গেলে এফ-১৫ সফলভাবে জ্বালানি নেয় এবং ফিরে যেতে সক্ষম হয়।
তবে ইরানের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, ইসরায়েলি বাহিনীর দুটি যুদ্ধবিমান গুলি করে ভূপাতিত করেছে তারা এবং একজন পাইলটকে আটক করা হয়েছে। যদিও এই দাবি নাকচ করে দিয়েছে ইসরায়েলের আরবি মুখপাত্র অভিচাই আদরায়ি।
চ্যানেল ১২ আরও জানায়, ১৩ জুনের ইসরায়েলি হামলার আগে বিমানবাহিনীর প্রধান আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন যে, সংঘাতের প্রথম ৭২ ঘণ্টায় অন্তত ১০টি যুদ্ধবিমান হারাতে হতে পারে। তবে বাস্তবে সে ধরনের ক্ষয়ক্ষতির কোনো ঘটনা ঘটেনি বলে দাবি করা হয়েছে।
এদিকে, ইরানে হামলার প্রতিক্রিয়ায় পাল্টা আক্রমণ চালায় তেহরান। ইসরায়েলি বিভিন্ন স্থাপনায় ছোড়া হয় ৫০০-এর বেশি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং ১১০০ ড্রোন। এতে ২৮ জন নিহত এবং তিন হাজারের বেশি আহত হন। ক্ষতিগ্রস্ত হয় হাজার হাজার ঘরবাড়ি ও জনবসতি।
ইসরায়েল দাবি করছে, ইরান পারমাণবিক অস্ত্রে পৌঁছানোর চূড়ান্ত ধাপে পৌঁছে গেছে। তাই তাদের সামরিক, পরমাণু ও ক্ষেপণাস্ত্র অবকাঠামো ধ্বংস করতেই হামলা চালানো হয়। অন্যদিকে, ইরান সবসময়ই দাবি করে আসছে যে, তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ লক্ষ্যেই পরিচালিত হচ্ছে।

মতামত দিন