ইসরায়েলের ড্রোন ও প্রজেক্টাইল প্রতিহত করেছে ইরান।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ইসরায়েলের পক্ষ থেকে বিনা ঘোষণায় চালানো হামলায় ইরানের বেশ কয়েকজন শীর্ষ সেনা কর্মকর্তা, পরমাণু বিজ্ঞানী ও সাধারণ নাগরিক নিহত হন। ইরান একে আন্তর্জাতিক আইন ও জাতিসংঘ সনদের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন হিসেবে উল্লেখ করে।
ইরান জানায়, হামলায় যুক্তরাষ্ট্রও অংশ নেয় এবং দেশটির তিনটি পারমাণবিক স্থাপনায় বোমা বর্ষণ করে। পাল্টা জবাবে ইরান ইসরায়েল অধিকৃত অঞ্চলের বিভিন্ন স্থাপনা ছাড়াও কাতারে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের আল-উদেইদ ঘাঁটিতে হামলা চালায়—যা মার্কিন বাহিনীর পশ্চিম এশিয়ায় সবচেয়ে বড় সামরিক ঘাঁটি।
উল্লেখ্য, ইরান-ইসরায়েল এই সংঘাত ১২ দিন ধরে চলে। সোমবার (২৩ জুন) মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার সামাজিক প্ল্যাটফর্ম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক পোস্টে জানান, দুই দেশ একটি পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে।
ট্রাম্পের ভাষায়, “প্রথমে ইরান অস্ত্রবিরতিতে যাবে, এরপর ১২ ঘণ্টা পর ইসরায়েল আনুষ্ঠানিকভাবে এতে যোগ দেবে। মোট ২৪ ঘণ্টা পর এই যুদ্ধ চূড়ান্তভাবে শেষ হবে এবং আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃতি পাবে।”
তিনি আরও বলেন, “এই যুদ্ধ বহু বছর চলতে পারত, কিন্তু তা হয়নি। শান্তিপূর্ণ সমাপ্তির জন্য ইরান ও ইসরায়েল উভয় পক্ষকে ধন্যবাদ ও সাধুবাদ জানাই।”
পোস্টের শেষাংশে ট্রাম্প বলেন, ‘গড ব্লেস ইসরায়েল, গড ব্লেস ইরান, গড ব্লেস দ্য মিডল ইস্ট, গড ব্লেস দ্য ইউনাইটেড স্টেটস অব আমেরিকা এবং গড ব্লেস দ্য ওয়ার্ল্ড!
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এই যুদ্ধবিরতি মধ্যপ্রাচ্যের ভবিষ্যতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। যদিও সবার চোখ এখন পরবর্তী কূটনৈতিক চুক্তি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার দিকে।

মতামত দিন