সিরিজ হামলার শিকার ইরাকের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ক্যাম্পসমূহ।
মঙ্গলবার (২৪ জুন) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরার বরাতে জানা যায়, ইরাকের দক্ষিণাঞ্চলের ধি-কার প্রদেশে অবস্থিত ইমাম আলি সামরিক ঘাঁটিতে প্রথম আঘাত হানে হামলাকারীরা। মূল লক্ষ্য ছিল ঘাঁটিটির রাডার সিস্টেম, যেটি হামলায় ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
এদিকে উত্তরের সালাহউদ্দিন প্রদেশের বালাদ ঘাঁটিতেও ঘটে দুটি শক্তিশালী বিস্ফোরণ। একসময় মার্কিন সামরিক বাহিনীর দ্বিতীয় বৃহত্তম ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহৃত এই স্থাপনাটি ফের হামলার শিকার হলো। বিস্ফোরণের শব্দে এলাকা কেঁপে ওঠে, কিন্তু এখনো ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের আনুষ্ঠানিক তথ্য মেলেনি।
অন্যদিকে রাজধানী বাগদাদের পাশের ভিক্টরি বেইজ কমপ্লেক্সেও ড্রোন হামলা হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় নিরাপত্তা কর্মকর্তারা। এই ঘাঁটিটিও একসময় মার্কিন সেনাবাহিনীর নিয়ন্ত্রণে ছিল।
এছাড়া উত্তরের ক্যাম্প তাজি সামরিক ঘাঁটিতেও ড্রোন হামলা চালানো হয়।হামলার পরপরই বিস্ফোরণ ঘটে এবং ঘাঁটির একটি অংশে আগুন ধরে যায়। যদিও কিছু সময়ের মধ্যেই তা নিয়ন্ত্রণে আসে।
সব মিলিয়ে, ইরাকজুড়ে এই সিরিজ হামলা এক নতুন ধরনের নিরাপত্তা শঙ্কা তৈরি করেছে। এখনো পর্যন্ত কোনো পক্ষ এসব হামলার দায় স্বীকার করেনি।
অন্যদিকে ইরাক সরকারের পক্ষ থেকেও এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া আসেনি।
বিশ্লেষকদের মতে, ইরান-ইসরায়েল উত্তেজনার ছায়ায় ইরাক এক নতুন সংঘাতের সম্ভাব্য মঞ্চে পরিণত হতে যাচ্ছে।

মতামত দিন