আন্তর্জাতিক
ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের আচরণকে ‘নির্লজ্জ আগ্রাসন’ বলছে হামাস।

নিজস্ব প্রতিবেদক:

ইরান-ইসরায়েল বিরোধে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পৃক্ততা নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে দুই সপ্তাহ সময় চেয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। কিন্তু নির্ধারিত সময় পার হওয়ার আগেই শুক্রবার (২১ জুন) রাতে তিনি  জানিয়ে দেন, ইরানের তিনটি পারমাণবিক স্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্র বিমান হামলা চালিয়েছে।

ট্রাম্পের এমন ঘোষণার পরই কড়া প্রতিক্রিয়া জানায় ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ গোষ্ঠী হামাস। এক বিবৃতিতে তারা এই হামলাকে ‘নির্লজ্জ ও বেআইনি আগ্রাসন’ হিসেবে অভিহিত করে বলেন, এটি আন্তর্জাতিক আইন ও শান্তি ব্যবস্থার স্পষ্ট লঙ্ঘন।

ইরানের ফোর্দো, নাতাঞ্জ এবং ইসফাহান—এই তিনটি গুরুত্বপূর্ণ পরমাণু কেন্দ্রে লক্ষ্য করে মার্কিন বাহিনী হামলা চালিয়েছে বলে দাবি করেন ট্রাম্প। তার ভাষায়, “অভিযান পুরোপুরি সফল হয়েছে এবং অংশগ্রহণকারী সব বিমান নিরাপদে ফিরে এসেছে।”

এই হামলার জন্য মার্কিন সামরিক বাহিনীকে ধন্যবাদ জানিয়ে ট্রাম্প পৃথক এক বার্তায় আরও বলেন, “এখন সময় এসেছে শান্তি স্থাপনের।”

এর আগে হোয়াইট হাউস ঘোষণা দিয়েছিল, ইরান-ইসরায়েল সংকটে ওয়াশিংটন কোনো পক্ষ নিচ্ছে কি না—তা নির্ধারণে অন্তত দুই সপ্তাহ সময় নেওয়া হবে। কিন্তু ঘোষণা আসার মাত্র তিন দিনের মাথায় ট্রাম্প নিজেই ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক পদক্ষেপের কথা প্রকাশ্যে আনেন।

বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের এই আচরণ শুধু আঞ্চলিক উত্তেজনাই নয়, বরং আন্তর্জাতিক রাজনীতিতেও নতুন মাত্রা যোগ করছে।

মতামত দিন