ইরানে পারমাণবিক স্থাপনা গুলোতে তেজস্ক্রিয় কোন উপাদান ছিল না।
এর কিছুক্ষণের মধ্যেই ইরানি কর্তৃপক্ষও হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে। কওম প্রদেশের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের প্রধান জানান, শত্রুপক্ষের গতিবিধি সনাক্ত করার সঙ্গে সঙ্গেই আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় করা হয়। ফোরদো পারমাণবিক স্থাপনার আশপাশে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। একই সময়ে ইসফাহান ও কাশানের আকাশসীমায়ও অজানা উড়ন্ত বস্তু দেখা গেলে প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইরনা জানায়, ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচার সংস্থার একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা দাবি করেছেন, মার্কিন বাহিনীর লক্ষ্যবস্তু যেসব পারমাণবিক স্থাপনা, সেখানে হামলার সময় কোনো তেজস্ক্রিয় পদার্থ ছিল না। তিনি ইঙ্গিত দেন, ইরান হয়তো সম্ভাব্য হামলার আশঙ্কায় এসব গুরুত্বপূর্ণ উপাদান আগেই সরিয়ে নিয়েছিল।
আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিস্ফোরণ হলেও এখনো পর্যন্ত বড় ধরনের তেজস্ক্রিয়তা বা পরিবেশ বিপর্যয়ের খবর পাওয়া যায়নি। যদিও ফোরদো, নাতানজ ও ইসফাহানের মতো স্থাপনাগুলো দীর্ঘদিন ধরেই ইরান-ইসরায়েল উত্তেজনার কেন্দ্রে ছিল।
বিশ্লেষকরা বলছেন, এই হামলা ইঙ্গিত দিচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার একটি নতুন অধ্যায় শুরু হতে পারে। তবে ইরানের পক্ষ থেকে এখনো সম্পূর্ণ পাল্টা জবাব দেওয়া হয়নি।

মতামত দিন