জুন থেকে বাড়তে পারে বিদ্যুতের দাম, ২৯ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধির প্রস্তাব।
তেল ও এলপি গ্যাসের পর এবার বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর পালা। এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন জানিয়েছে, চলতি সপ্তাহে গণশুনানি শেষ করে মে মাসেই নতুন দাম চূড়ান্ত করা হবে।
সরকারি বিদ্যুৎ কোম্পানিগুলো পাইকারি, খুচরা ও সঞ্চালন স্তরে সর্বোচ্চ ২৯ শতাংশ পর্যন্ত দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে। বুধ ও বৃহস্পতিবার গণশুনানিতে সেই প্রস্তাব যাচাই করবে কমিশন। কমিশনের চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ জানান, শুনানির পর দ্রুতই দাম নির্ধারণ করা হবে।
সরকারের যুক্তি, গত অর্থবছরে বিদ্যুত খাতে ২ হাজার ৬৩৮ কোটি টাকা লোকসান হয়েছে। দাম না বাড়ালে চলতি বছর এই ঘাটতি ৩ হাজার ৮০০ কোটি ছাড়িয়ে যাবে। তবে সিপিডির গবেষক তৌফিকুল ইসলাম খান বলছেন, এই সিদ্ধান্তের প্রভাব শুধু বিদ্যুৎ বিলে সীমাবদ্ধ থাকবে না, সামগ্রিক দ্রব্যমূল্যেও চাপ পড়বে।
ইরান-ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধের জেরে জ্বালানি তেলের দাম বেড়ে গণপরিবহন ও নিত্যপণ্যের পরিবহন খরচ বাড়িয়েছে। এলপি গ্যাসের দামও লাফিয়ে বেড়েছে। এই পরিস্থিতিতে বিদ্যুতের দাম বাড়লে নিম্ন ও মধ্যবিত্তের সংসার চালানো আরও কঠিন হবে বলে আশঙ্কা করছেন সাধারণ মানুষ।
সবচেয়ে বড় ধাক্কাটা আসতে পারে নিম্নবিত্তদের জন্য। আগে ২০০ ইউনিট পর্যন্ত ব্যবহারকারীরা কম দামের সুবিধা পেতেন। এবার সেটি কেবল ৭৫ ইউনিট পর্যন্ত সীমিত করার প্রস্তাব রয়েছে। বাস্তবায়িত হলে যারা এতদিন কম বিল দিতেন, তাদেরও গুনতে হবে উচ্চ হারে।
মতামত দিন