আন্তর্জাতিক বাজারে আবারও বেড়েছে স্বর্ণের দাম।
বিশ্ব রাজনীতির দুই পরাশক্তির মুখোমুখি বৈঠককে ঘিরে বৃহস্পতিবার আন্তর্জাতিক স্বর্ণবাজারে এক ধরনের অপেক্ষার আবহ তৈরি হয়েছে। ট্রাম্প-শি বৈঠকের ফলাফল কী হবে, বিশেষত ইরান যুদ্ধ নিরসনে চীন কতটা সক্রিয় ভূমিকা নেবে — এই প্রশ্নগুলোই এখন বিনিয়োগকারীদের মাথায়।
গোল্ডসিলভার সেন্ট্রালের প্রধান ব্রায়ান ল্যান বলছেন, বাজার এখন স্থিতিশীল, তবে সবার দৃষ্টি বৈঠকের দিকে। তার মতে, দামে হালকা নিম্নমুখী প্রবণতা নতুন বিনিয়োগকারীদের জন্য ঢোকার সুযোগ তৈরি করছে।
বৈঠকে শি জিনপিং ট্রাম্পকে জানান, বাণিজ্য আলোচনা এগোচ্ছে। তবে তাইওয়ান প্রশ্নে তীক্ষ্ণ মতপার্থক্য দুই দেশের সম্পর্ককে জটিল মোড়ে নিয়ে যেতে পারে বলে সতর্ক করেন তিনি।
অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রে এপ্রিলে উৎপাদক মূল্যস্ফীতি চার বছরের মধ্যে সর্বোচ্চে উঠেছে। মার্কিন সিনেট কেভিন ওয়ার্শকে ফেড চেয়ারম্যান হিসেবে অনুমোদন দিলেও সুদ কমানোর পথ এখন অনেকটাই কঠিন। বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, ডিসেম্বরের মধ্যে বরং সুদ বাড়ার সম্ভাবনা ২৮ শতাংশে পৌঁছে গেছে — যা স্বর্ণের দামের ওপর চাপ তৈরি করতে পারে।
ভারতে আমদানি শুল্ক বাড়ার পর সেখানকার বাজারে বিক্রির চাপ বেড়েছে, মূল্যছাড় পৌঁছেছে প্রতি আউন্সে ২০০ ডলারের উপরে। অন্য ধাতুর মধ্যে রুপার দাম ০.৭ শতাংশ কমে ৮৭.৩৩ ডলার, প্লাটিনাম ০.৫ শতাংশ কমে ২ হাজার ১২৬ ডলার এবং প্যালাডিয়াম সামান্য কমে ১ হাজার ৪৯৮ ডলারে নেমেছে।

মতামত দিন