অপরাধ
ছবি: সংগৃহীত

মুগদায় প্রবাসী হত্যা দেহ খণ্ডের ঘটনায় গ্রেপ্তার মা-মেয়ে, পলাতক মূল অভিযুক্ত।

নিজেস্ব প্রতিবেদক:

রাজধানীর মুগদায় সৌদি প্রবাসী এক ব্যক্তিকে হত্যার পর মরদেহ খণ্ড-বিখণ্ড করে বিভিন্ন স্থানে ফেলে দেওয়ার ঘটনায় চাঞ্চল্যকর তথ্য পেয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এ ঘটনায় এক নারী ও তার মেয়েকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব-৩

নিহত ব্যক্তি মোকাররম মিয়া বলে নিশ্চিত করেছে র‍্যাব। সংস্থাটির দাবি, দীর্ঘদিনের ব্যক্তিগত সম্পর্কের টানাপোড়েন থেকেই এই হত্যাকাণ্ডের সূত্রপাত।

র‍্যাব জানায়, গত ১৩ মে দেশে ফিরে মোকাররম রাজধানীতে পরিচিত এক নারীর বাসায় ওঠেন। সেখানে বিয়ে ও আর্থিক বিষয় নিয়ে তর্ক-বিতর্কের একপর্যায়ে পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নেয়। তদন্তকারীদের ভাষ্য অনুযায়ী, পরবর্তীতে তাকে হত্যার পরিকল্পনা করা হয় এবং এতে বাসার আরও সদস্য জড়িয়ে পড়ে।

হত্যার পর ঘটনাটি গোপন রাখতে মরদেহ টুকরো করা হয়। পরে সেগুলো পলিথিনে মুড়িয়ে মান্ডা এলাকার বিভিন্ন জায়গায় ফেলে দেওয়া হয় বলে জানিয়েছে র‍্যাব। এমনকি মরদেহের মাথা শরীর থেকে আলাদা করে দূরের একটি স্থানে ফেলে রাখা হয়েছিল।

কয়েকদিন পর এলাকায় দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়দের সন্দেহ হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে দেহের খণ্ডাংশ উদ্ধার করে। পরে ফিঙ্গারপ্রিন্ট বিশ্লেষণের মাধ্যমে নিহতের পরিচয় শনাক্ত করা হয়।

ঘটনার তদন্তে প্রযুক্তির সহায়তায় নরসিংদী থেকে হেলেনা ও তার মেয়ে হালিমাকে আটক করা হয়েছে। তবে হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবে যাকে সন্দেহ করা হচ্ছে, সেই তাসলিমা আক্তার হাসনা এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েছে।

র‍্যাব জানিয়েছে, পলাতক ওই নারীকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

মতামত দিন