মালয়েশিয়া থেকে দেশে এসেছে ২৬ হাজার টন অকটেন, জ্বালানি সংকটে স্বস্তির ইঙ্গিত।
জ্বালানি সংকট কাটাতে দেশে এসেছে মালয়েশিয়া থেকে বিপুল পরিমাণ পরিশোধিত অকটেন। মধ্যপ্রাচ্যের অস্থির পরিস্থিতির প্রভাবে সৃষ্ট সরবরাহ ঘাটতির মধ্যে এই চালানটি জ্বালানি খাতে কিছুটা স্বস্তি আনবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বুধবার (৮ এপ্রিল) রাতে চট্টগ্রাম বন্দরে ‘এমটি সেন্ট্রাল স্টার’ নামের জাহাজে করে ২৬ হাজার টন অকটেন এসে পৌঁছায়। একই সময়ে আরও একটি জাহাজে ২৫ হাজার টন ফার্নেস অয়েলও বন্দরে নোঙর করে।
দেশের মোটরসাইকেল ও ব্যক্তিগত যানবাহনের জ্বালানি চাহিদার বড় অংশ পূরণে অকটেন ব্যবহৃত হয়। বিশেষ করে উচ্চ সিসি ইঞ্জিনের যানবাহনে এর ব্যবহার বেশি, যা ইঞ্জিনের কর্মক্ষমতা ধরে রাখতে সহায়তা করে।
গত কয়েক সপ্তাহ ধরে সরবরাহ ঘাটতির কারণে বাজারে অকটেন সংকট তৈরি হয়েছিল। অনেক ফিলিং স্টেশনে দীর্ঘ সময় অপেক্ষার পরও জ্বালানি না পাওয়ার অভিযোগ ছিল।
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) জানিয়েছে, মার্চের তুলনায় এপ্রিলে জ্বালানি বিক্রি কমে গেছে এবং সরবরাহ পরিস্থিতি কিছুটা চাপের মধ্যে ছিল। গত মাসে নির্ধারিত কয়েকটি চালান না আসায় সংকট আরও বাড়ে।
বর্তমানে দেশ বছরে বিপুল পরিমাণ জ্বালানি তেলের চাহিদার বড় অংশই আমদানিনির্ভর। তাই মধ্যপ্রাচ্যের পাশাপাশি সিঙ্গাপুর, চীন, ভারত ও মালয়েশিয়ার মতো দেশ থেকে সরবরাহ বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নতুন আসা অকটেন দ্রুত খালাসের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
এদিকে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চলতি মাসে আরও বড় পরিমাণ ডিজেল আমদানির পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।
মতামত দিন